ইমরান নাজির।
চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে ঈদের শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে কুসুমবাগ আবাসিক এলাকায় বিএনপির দুপক্ষে সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নগরের বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
নিহত যুবকের নাম মো. জিহাদ (২৭)। তিনি একই থানার লালখান বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলমের অনুসারী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতার হোসেন বলেন, ‘বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন জিহাদ ১২ দিন পর আজ ভোরে মারা গেছে। ওই সংঘর্ষের ঘটনার পরদিনই আহত এক ভিকটিমের পরিবার বাদী হয়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।’
এর আগে, ২১ মার্চ রাত আটটার দিকে নগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম শাহ আলমের অনুসারী ও নগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শরিফুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ জিহাদ ও আনোয়ার শাহ আলমের অনুসারী। আহত রমিজ শরীফুলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ঈদ শুভেচ্ছা ব্যানার টাঙানো নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে কুসুমবাগ এলাকায় তারা মুখোমুখি হয়। সেখানে উভয় পক্ষের গোলাগুলি হয়।
গোলাগুলির ঘটনার পর সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ স্বাক্ষরিত এক আদেশে খুলশী থানার তৎকালীন ওসি মুজিবুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।